নমস্কার বন্ধুরা আপনাদের সকলকে স্বাগত জানাচ্ছি আমাদের ওয়েবসাইটে বন্ধুরা আজকে আমি আপনাদের জানিয়ে দেবো ২২ ক্যারেট পুরাতন সোনার দাম আজকের বাজার। আজকের বাজার অনুযায়ী আপনারা যদি পুরাতন ২২ ক্যারেট গহনা বিক্রয় করতে যান তাহলে আপনারা কত দাম পাবেন এখানে আমি আপনাদের বিস্তারিত জানিয়ে দেবো। আপনাদের সুবিধার্থে বাজুস নির্ধারিত স্বর্ণের বাজার দর অনুযায়ী ২২ ক্যারেট স্বর্ণের যত দাম চলছে সেই দাম অনুযায়ী ২২ ক্যারেট পুরাতন গহনা সোনার মূল্য প্রতিগ্রাম,প্রতিভরি,প্রতিআনা ও প্রতিরতি মূল্য কত তা বিস্তারিত শেয়ার করব।

আপনারা অনেকেই ২২ ক্যারেট গহনা সোনা কিনে থাকেন কিন্তু অনেকেই স্বর্ণের আজকের মূল্য জানেন না তাই আপনারা আজকের স্বর্ণের মূল্য জানতে এখানে ক্লিক করুন সাথে সাথে আপনারা নির্ধারিত স্বর্ণের মূল্য কত তা জানতে পেরে যাবেন। ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ক্রয় মূল্য অনেকে জানলেও অনেকে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের বিক্রয় মূল্য কত চলবে তা জানেন না। তাই আপনাদের সুবিধার্থে বাইশ ক্যারেট স্বর্ণের বর্তমান বাজার দর থেকে ১৫% বাদ দিয়ে বর্তমান মূল্য বিভিন্ন ওজনের কত তার নিজের শেয়ার করা হলো।
২২ ক্যারেট পুরাতন সোনার দাম আজকের বাজার
| ওজনের একক | বিক্রয়মূল্য (টাকা) |
|---|---|
| প্রতি গ্রাম | ১৮,৮৬২ |
| প্রতি ভরি | ২,১৯,৯৯৯ |
| প্রতি আনা | ১৩,৭৫০ |
| প্রতি রতি | ২,২৯২ |
২২ ক্যারেট পুরাতন সোনার দাম ২০২৬ বাংলাদেশ
আজ বাংলাদেশে আপনারা যদি ২২ ক্যারেট ব্যবহৃত গহনা সোনা বিক্রয় করতে যান তাহলে ১৫% বাদ দিলে বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী আপনারা প্রতি গ্রামে ১৮,৮৬২ টাকা,প্রতি ভরিতে ২,১৯,৯৯৯ টাকা,প্রতি আনায় ১৩,৭৫০ টাকা এবং প্রতি রতিতে ২,২৯২ টাকা পাবেন।
ব্যবহৃত সোনা ও নতুন সোনার দামের পার্থক্য থাকে
এটা খুব সাধারণ একটি বিষয়—ব্যবহৃত গহনার দাম কখনোই নতুন সোনার দামের সমান হয় না। কারণ ব্যবহৃত গহনায়
- মেকিং চার্জ ফেরত দেওয়া হয় না
- গহনা গলানোর সময় কিছু ওজন কমে যায়
সাধারণত বাংলাদেশে ২২ ক্যারেট ব্যবহৃত গহনার দাম প্রতি গ্রামে নতুন সোনার দামের চেয়ে ১০%–২৫% পর্যন্ত কম ধরা হয়।
“পুরোনো সোনা” বলতে দোকানদাররা কী বোঝায়
অনেকেই ভাবেন পুরোনো সোনা মানেই খারাপ সোনা—আসলে তা নয়।
স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা “পুরোনো সোনা” বলতে বোঝান:
- আগে ব্যবহৃত হয়েছে
- নতুন করে গহনা বানানোর উপযোগী কাঁচামাল
অর্থাৎ আপনার গহনা পুরোনো হলেও, ২২ ক্যারেট হলে সেটার মূল্য অবশ্যই থাকবে।
ওজন মাপার সময় খেয়াল রাখুন
গহনা বিক্রির সময় ওজন মাপা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
আপনি নিশ্চিত করুন:
- ডিজিটাল মেশিনে ওজন করা হচ্ছে
- পাথর বা নকশার অংশ আগে বাদ দেওয়া হয়েছে
- আপনার সামনে ওজন দেখানো হচ্ছে
???? অনেক সময় পাথর থাকলে সেটার ওজন কেটে নেওয়া হয়, তাই আগেই জেনে নিন কত গ্রাম কাটা হচ্ছে।
ক্যারেট টেস্ট করা বাধ্যতামূলক
আপনি যদি নিশ্চিত হন আপনার গহনা ২২ ক্যারেট, তবুও দোকানদার সাধারণত অ্যাসিড টেস্ট বা মেশিন টেস্ট করে থাকেন।
ভালো দোকান হলে:
- আপনার সামনেই টেস্ট করবে
- টেস্টের পরে ক্যারেট জানাবে
যদি ক্যারেট কম ধরা পড়ে, তখন দাম স্বাভাবিকভাবেই কমে যাবে।
বাজুস নির্ধারিত দামই শেষ কথা নয়
বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (BAJUS) যে দাম নির্ধারণ করে, সেটি মূলত নতুন সোনার বিক্রয়মূল্য।
ব্যবহৃত গহনা বিক্রয়ের ক্ষেত্রে দোকানভেদে দাম কিছুটা কম-বেশি হয়।
???? তাই এক দোকানে না বিক্রি করে ২–৩টি দোকানে দর জেনে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।
নগদ টাকা না দিলে সতর্ক হোন
বর্তমানে অনেক দোকান:
- বিকাশ
- নগদ
- ব্যাংক ট্রান্সফার
এর মাধ্যমে টাকা দেয়। তবে:
- টাকা সঙ্গে সঙ্গে পেয়েছেন কিনা নিশ্চিত করুন
- রিসিট বা লিখিত প্রমাণ নিন
বিশেষ করে বড় অংকের হলে এই বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
মেকিং চার্জ কখনোই ফেরত পাওয়া যায় না
অনেকে প্রশ্ন করেন—“গহনা বানানোর সময় যে মজুরি দিয়েছিলাম, সেটা কি ফেরত পাব?”
সোজা উত্তর: না
কারণ দোকানদার শুধু সোনার কাঁচামালের দামই হিসাব করে।
বিক্রির আগে নিজে হিসাব করে নিন
আপনি চাইলে নিজেই একটি আনুমানিক হিসাব করতে পারেন:
(বর্তমান প্রতি গ্রাম ২২ ক্যারেট সোনার দাম × গহনার ওজন) − দোকান কর্তনের পরিমাণ
এতে অন্তত বুঝতে পারবেন আপনি খুব কম দামে বিক্রি করছেন কিনা।
বিশ্বস্ত জুয়েলার্স দোকান বেছে নিন
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—
✔ পরিচিত
✔ লাইসেন্সপ্রাপ্ত
✔ দীর্ঘদিনের ব্যবসা করছে
এমন দোকানেই সোনা বিক্রি করা নিরাপদ।
২২ ক্যারেট ব্যবহৃত গহনা সোনা বিক্রি করা কোনো জটিল বিষয় নয়, তবে সচেতন না হলে ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে। সঠিক তথ্য জানা থাকলে আপনি ন্যায্য মূল্য পাবেন এবং প্রতারণার শিকার হবেন না।
বন্ধুরা আশা করছি আমাদের দেয়া তথ্য থেকে আপনারা আজ ২২ ক্যারেট পুরাতন গহনা স্বর্ণের মূল্যের আজকের বাজার দর কত চলছে তা জানতে পেরেছেন। বন্ধুরা আমাদের দেয়া তথ্যটি ভালো লাগলে আপনাদের অনুরোধ করবো এই পোষ্টটি অতি অবশ্যই শেয়ার করতে ভুলবেন না আপনার প্রিয়জন বন্ধু-বান্ধবদের সাথে যাতে সকলেই আজ ২২ ক্যারেট পুরাতন গহনা স্বর্ণের মূল্য কত চলছে তা জানতে পারে। ওপরে আমি আপনাদের বিভিন্নজন অনুযায়ী ২২ ক্যারেট পুরাতন গহনা স্বর্ণের মূল্য কত চলছে আজকে তা শেয়ার করেছি।
বাজুস বা বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতি কিছুদিন ছাড়া ছাড়াই স্বর্ণের মূল্য পরিবর্তন করে থাকে তাই আপনারা যদি প্রতিদিন ২২ ক্যারেট পুরাতন গহনা স্বর্ণের মূল্য কত চলছে তা জানতে চান আপনারা শুধুমাত্র ভিজিট করবেন আমাদের ওয়েবসাইট কারণ আমাদের ওয়েবসাইটেই প্রতিদিন স্বর্ণের মূল্যের বর্তমান বাজারদরের আপডেট সবার আগে দেয়া হয়ে থাকে। আপনারা যদি আমাদের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের আপডেট পেতে চান সবার আগে তাহলে আপনারা অবশ্যই যুক্ত হয়ে যাবেন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যালেনে লিংক নিচে দেওয়া আছে।
FAQ: ২২ ক্যারেট ব্যবহৃত গহনা সোনা বিক্রয় বাংলাদেশ
বাংলাদেশে ২২ ক্যারেট ব্যবহৃত সোনার গহনা বিক্রি করা কি বৈধ?
হ্যাঁ, বাংলাদেশে ২২ ক্যারেট ব্যবহৃত সোনার গহনা বিক্রি করা সম্পূর্ণ বৈধ। তবে বিশ্বস্ত ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত জুয়েলার্স দোকানে বিক্রি করাই সবচেয়ে নিরাপদ।
২২ ক্যারেট ব্যবহৃত গহনার দাম কীভাবে নির্ধারণ করা হয়?
ব্যবহৃত গহনার দাম নির্ধারণ করা হয় মূলত তিনটি বিষয়ের উপর—
বর্তমান বাজারে ২২ ক্যারেট সোনার দাম
গহনার প্রকৃত ওজন
দোকান কর্তৃক নির্ধারিত কাটছাঁট (গলানো ও অপচয় হিসাব)
সাধারণত নতুন সোনার দামের তুলনায় কিছুটা কম দাম দেওয়া হয়।
ব্যবহৃত সোনা বিক্রির সময় কত শতাংশ টাকা কেটে রাখা হয়?
বাংলাদেশে সাধারণভাবে ১০% থেকে ২৫% পর্যন্ত টাকা কেটে রাখা হয়। এটি দোকান, গহনার অবস্থা এবং ওজনের উপর নির্ভর করে।
২২ ক্যারেট গহনা হলেও কেন দাম কম পাওয়া যায়?
কারণ ব্যবহৃত গহনা আবার গলিয়ে নতুন করে বানাতে হয়। এতে—
মেকিং চার্জ ফেরত দেওয়া হয় না
গলানোর সময় কিছু ওজন কমে যায়
এই কারণেই দাম কিছুটা কম ধরা হয়।
গহনার পাথর বা নকশার জন্য কি আলাদা টাকা পাওয়া যায়?
না, সাধারণত পাথর, চিপস বা নকশার জন্য আলাদা মূল্য দেওয়া হয় না। ওজন করার সময় এগুলোর ওজন বাদ দিয়ে শুধু সোনার ওজন হিসাব করা হয়।
ব্যবহৃত সোনা বিক্রির সময় কি ক্যারেট টেস্ট করা হয়?
হ্যাঁ, ভালো জুয়েলার্স দোকানগুলো অবশ্যই ক্যারেট টেস্ট করে। অ্যাসিড টেস্ট বা আধুনিক মেশিনের মাধ্যমে পরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়া হয় গহনাটি সত্যিই ২২ ক্যারেট কিনা।
বাজুস নির্ধারিত দাম অনুযায়ী কি ব্যবহৃত সোনা বিক্রি করা যায়?
বাজুসের দাম মূলত নতুন সোনা বিক্রির জন্য নির্ধারিত। ব্যবহৃত গহনা বিক্রির ক্ষেত্রে সেই দামের ভিত্তিতে কিছুটা কম মূল্য দেওয়া হয়।
কোথায় বিক্রি করলে ২২ ক্যারেট ব্যবহৃত সোনার ভালো দাম পাওয়া যায়?
দাম ভালো পেতে হলে—
একাধিক দোকানে দর যাচাই করুন
পুরোনো ও পরিচিত জুয়েলার্স দোকান বেছে নিন
বড় মার্কেট বা স্বর্ণের হাট এলাকায় খোঁজ নিন
ব্যবহৃত সোনা বিক্রি করার সময় কি কোনো কাগজ লাগে?
সাধারণত ছোট পরিমাণ হলে কোনো কাগজ লাগে না। তবে বড় অংকের সোনা বিক্রির সময় জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) চাইতে পারে।
নগদ টাকা না নিয়ে ডিজিটাল পেমেন্ট নেওয়া কি নিরাপদ?
হ্যাঁ, বিকাশ, নগদ বা ব্যাংক ট্রান্সফারের মাধ্যমে টাকা নেওয়া নিরাপদ, তবে অবশ্যই নিশ্চিত হতে হবে যে পুরো টাকা সঙ্গে সঙ্গে আপনার অ্যাকাউন্টে এসেছে।
মেকিং চার্জ কি ফেরত পাওয়া যায়?
না, ব্যবহৃত গহনা বিক্রির সময় কোনো ধরনের মেকিং চার্জ বা মজুরি ফেরত দেওয়া হয় না।
সোনা বিক্রির আগে কীভাবে নিজে দাম হিসাব করব?
আপনি চাইলে নিজে আনুমানিক হিসাব করতে পারেন—
বর্তমান ২২ ক্যারেট সোনার প্রতি গ্রাম দাম × গহনার ওজন
এরপর দোকান কর্তনের বিষয়টি মাথায় রাখুন।
ব্যবহৃত সোনা বিক্রির সেরা সময় কখন?
যখন বাজারে সোনার দাম বেশি থাকে, তখন বিক্রি করাই সবচেয়ে লাভজনক। সাধারণত দাম বাড়ার সময় ব্যবহৃত সোনার দামও তুলনামূলক ভালো পাওয়া যায়।
শেষ কথা
বন্ধুরা আপনাদের সকলকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করে ২২ ক্যারেট পুরাতন গহনা স্বর্ণের মূল্য আজ বাংলাদেশে কত চলছে তা জানার জন্য। আমাদের দেয়া তথ্যটি ভালো লাগলে অবশ্যই এই পোস্টটি শেয়ার করবেন আপনার কোন জায়গায় বুঝতে অসুবিধা হলে এবং আপনারা যদি আরো বিভিন্ন ওজন অনুযায়ী স্বর্ণের মূল্য জানতে চান অবশ্যই নিচে কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করে জানাবেন। প্রতিদিন বাংলাদেশ সহ আরো বিভিন্ন দেশের স্বর্ণের মূল্যের আপডেট সবার আগে পেতে ভিজিট করতে ভুলবেন না আমাদের ওয়েবসাইট।।

সৌভিক মাইতি
ব্লগ: Bajus আজকের সোনার দাম
সৌভিক মাইতি — একটি বাংলাদেশি ব্লগার ও ওয়েব ডেভেলপার। আমি প্রতিদিনের নতুন স্বর্ণের দর, বাজার বিশ্লেষণ এবং সোনার দর সম্পর্কিত নির্দেশিকা লিখি। আমার লক্ষ্য পাঠককে দ্রুত, সঠিক এবং ব্যবহারযোগ্য তথ্য পৌঁছে দেয়া।